বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬, ১২:২০ অপরাহ্ন

শিরোনামঃ
ইরানে সরকার পতন সম্ভব নয়: ইসরায়েলের ‘অসহায়’ স্বীকারোক্তি হরমুজ প্রণালিতে ৩ জাহাজে ভয়াবহ হামলা: একটিতে আগুন, নাবিকদের উদ্ধার সালথায় আওয়ামী আমলের সারের ডিলার বাতিলের দাবিতে উত্তাল মানববন্ধন ঝুঁকিপূর্ণ মিটারে অগ্নিকাণ্ডের আতঙ্ক: ধামরাইয়ে নতুন সংযোগ দিতে পল্লী বিদ্যুতের গড়িমসি ও মালিকপক্ষের অসহযোগিতার অভিযোগ জমে উঠেছে ইসলামপুর ঈদের বাজার, খুশি ব্যবসায়ীরা ॥ ইবাদতে চাই পূর্ণ মনোযোগ: রমজান হোক আল্লাহর কাছে আত্মসমর্পণের মাস নেতানিয়াহুর ‘মৃত্যু’ নিয়ে ধোঁয়াশা: ইরানি সংবাদমাধ্যমের দাবিকে ‘গুজব’ বলছে ইসরায়েল ২০৪২ সাল পর্যন্ত প্রধানমন্ত্রী থাকবেন তারেক রহমান: জয়নুল আবদিন ফারুক

বোয়ালমারীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শশুরের যাবজ্জীবন

মো.সামাদ খান.ফরিদপুর প্রতিনিধি ॥
ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে পুত্রবধূকে ধর্ষণের দায়ে শশুরের যাবজ্জীবন সাজা দিয়েছেন আদালত।পুত্রবধূকে ধর্ষনের দায়ে শশুর রেজাউল মিয়াকে (৫০) কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে। একই সাথে তাকে এক লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।সোমবার (১ জুলাই) দুপুরে ১ ফরিদপুরের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মো. হাফিজুর রহমান এ রায় দেন।
রায় ঘোষণার সময় দণ্ডপ্রাপ্ত আসামি রেজাউল মিয়া আদালতে উপস্থিত ছিলেন।পরে তাকে পুলিশ পাহারায় কারাগারে প্রেরণ করা হয়।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার মোবারকদিয়া গ্রামের বাসিন্দা দুবাই প্রবাসী মতিয়ার মিয়ার স্ত্রী রুমি খাতুন দুই সন্তান নিয়ে স্বামীর বাড়িতে বসবাস করতেন।স্বামী বিদেশে থাকেন, শাশুড়ি মারা গেছেন দীর্ঘদিন আগে।বাড়িতে রুমি খাতুন, তার দুই সন্তান ও শ্বশুর থাকতেন।স্বামী বিদেশে থাকার সুযোগে শ্বশুর রেজাউল মিয়া তাকে নানাভাবে কু-প্রস্তাব দিতো।রুমি খাতুন রাজি না হওয়ায় গত ২০২১ সালের ৪ সেপ্টেম্বর বেলা ১১টার দিকে শ্বশুর রেজাউল মিয়া তার ঘরে ঢুকে তার সন্তানের গলায় ছুরি ধরে ভয় দেখিয়ে তাকে জোড় করে ধর্ষণ করেন।এভাবে ভয়ভীতি দেখিয়ে একাধিকবার ধর্ষণ করে।একপর্যায়ে রুমি খাতুন অন্তঃস্বত্তা হয়ে পড়েন।

আত্মীয় স্বজনদের কাছে বলেও তিনি কোনো বিচার না পেয়ে পরবর্তীতে আদালতে মামলা করেন। শুনানি ও সাক্ষী শেষে সোমবার (১ জুলাই) আদালতের বিচারক এ রায় ঘোষণা করেন।

সংবাদটি শেয়ার করুন

© All rights reserved © 2024  Ekusharkantho.com
Technical Helped by Curlhost.com